মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১, ১২ শ্রাবণ, ১৪২৮, ১৬ জিলহজ, ১৪৪২
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

এসিল্যান্ডের দেওয়া ডি.সি.আর বাতিলের দাবিতে মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

এসিল্যান্ডের দেওয়া ডি.সি.আর বাতিলের দাবিতে মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

নওগাঁ: নওগাঁর মান্দায় মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম দিং এর ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর বর্তমান অর্পিত সম্পত্তির প্রত্যার্পন ট্রাইবুনালে প্রত্যার্পন মামলা চলমান অবস্থায় সহকারী কমিশনার ভূমি কর্তৃক প্রদানকৃত ডি.সি.আর বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে মামুনুর রশিদ নামে এক অসহায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান।
শনিবার বেলা ১১ টায় মান্দার মৈনম ইউপির দুর্গাপুর গ্রামের ভুক্তভোগী মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম প্রামাণিকের ছেলে মামুনুর রশিদের বাড়িতে স্থানীয় প্রতিবেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েজ উদ্দিন, মামুনুর রশিদ,আফসার আলী,আছিয়া এবং বেবি আক্তার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,স্থানীয় প্রতিবেশী আনোয়ার, ফুল মোহাম্মদ, আতাউর রহমান, নাজমুল হক, আব্দুল মজিদ,মোকলেছুর রহমান,সাইদুর রহমান,রেজাউল ইসলাম,মিজানুর রহমান,কাজল রেখা,হাসিনা এবং কহিনুর প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ভূক্তভোগী মামুনুর রশিদের বাবা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম দিং জীবিতকালে দূর্গাপুর মৌজায় সিএস রেকর্ড অনুযায়ী স্ত্রী-ধন সম্পত্তির মালিক অলংগা সুন্দরী দ্যাসার স্বামীর ওয়ারিশদের কাছ থেকে সোয়া ১৬ বিঘার মতো জমি ক্রয় করে প্রায় ৩০- ৩৫ বছর পূর্ব থেকে অদ্যবধি চাষাবাদ,বসতবাড়ি, পুকুর- পুষ্কুনি করে এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা লাগিয়ে ভোগ দখল করে আসছিলেন। এরই এক পর্যায়ে এস.এ এবং আর.এস খতিয়ানে অংশিদারিত্ত্বের ক্ষেত্রে কিছুটা ভূল পরিলক্ষিত হয়। এরপর ওই ভুল সংশোধনের জন্য আদালতের স্মরনাপন্ন হন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম। পরবর্তীতে দুতরফা সূত্রে ডিক্রী হয়। উক্ত ডিক্রী অদ্যবধি বহাল আছে।
পরবর্তীতে স্থানীয় প্রভাবশালী শাহাবুদ্দিন গংরা ওই সম্পত্তি বিনিময়মূলে প্রাপ্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন এবং ভুক্তভোগীর পক্ষে জারিকৃত ডিক্রী রদের জন্য পায়তারা শুরু করেন। বর্তমানে বিবাদমান সম্পত্তি নিয়ে নওগাঁ অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন ট্রাইবুনালে প্রত্যার্পন মামলা চলমান আছে। এমতাবস্থায় ওই বিবাদমান সম্পত্তিতে উত্তম স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে নালিশী সম্পত্তিতে ডি.সি. আর প্রদান বেআইনী বলে দাবি করেন তারা।
সম্প্রতি ডিসিআরটি বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ভূক্তভোগী মামুনুর রশিদ । ভুক্তভোগীরা এর থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়। অথচ,বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। মামলা চালাতে গিয়ে তারা আজ সর্বশান্ত। বর্তমানে তারা আজ বড় অসহায় এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের ক্রয়কৃত জমির সঠিক সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন। তাছাড়া যেকোনো সময় একটি বড় ধরনের সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তারা।


error: Content is protected !!