মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬ আশ্বিন, ১৪২৮, ১৩ সফর, ১৪৪৩
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত

যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত

জেডএইচসাসট:স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. তালুকদার লোকমান হাকিম ক্যাম্পাসের বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ও ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালো রাতে পরাজিত ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে শহীদ জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্মৃতির উদ্দেশে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

এরপর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তালুকদার লোকমান হাকিম, বিশেষ অতিথি ছিলেন মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. এমরান পারভেজ খান। এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইমামুনুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুজ্জামান ও ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের  প্রধান সনেট কুমার সাহা। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক আবদুল খালেক ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. তালুকদার লোকমান হাকিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু অতুলনীয়, তাঁর তুলনা শুধু তিনিই। বাংলার সর্বস্তরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে একটি শিক্ষিত ও সচেতন জাতি গঠনের ভিত্তি বঙ্গবন্ধুই শুরু করেছিলেন। উচ্চশিক্ষার বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তিনি স্বায়ত্বশাসন দান করেছিলেন। আজ অর্ধশতাব্দী পরে বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারছি বঙ্গবন্ধুর অবদানেই।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট যেসকল পরাজিত ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে তাদের বিচার দাবি করেন। একই সাথে এ নৃশংস ঘটনার অন্তরালে যেসকল কুচক্রী মহল জড়িত ছিল তাদের মুখোশ উন্মোচনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

মাননীয় উপাচার্য জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যবৃন্দ, এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, দানবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম জয়নুল হক সিকদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

আলোচনা সভা শেষে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যবৃন্দের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান মো. মাহরুফ হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের  প্রধান মো. মাহফুজুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের  প্রধান মো. মতিয়ার রহমান, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মো. রহিম উদ্দিন, আইন বিভাগের প্রধান মো. আবদুল করিম, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের  প্রধান মো. জহুর-উজ-জামান, ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার তাহমিনা নিষাদ এলিন, মকফর উদ্দিন সিকদার হলের প্রোভস্ট ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিমুল এহসান, মনোয়ারা সিকদার হলের প্রোভস্ট ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের লেকচারার ফাতেমা আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।


error: Content is protected !!