বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১৪ আশ্বিন, ১৪২৯, ২ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী

প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী

শরীয়তপুর: সারাদেশের ন্যায় শরীয়তপুর জেলায়ও চলছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৫ই জুন ২০২২ই ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে শরীয়তপুর জেলার আওতাধীন নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচন।

আসন্ন কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে টেলিফোনে প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নড়িয়া উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মিহির চক্রবর্তী। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে প্রতিক বরাদ্দ। প্রতিক বরাদ্দ হওয়ার পূর্বেই প্রতিনিয়ত কেদারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষ ও ভোটার দের সাথে গনসংযোগ, সাক্ষাৎ ও কুশলাদি বিনিময় করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী। গত ২০শে ডিসেম্বর প্রতিক বরাদ্দ হওয়ার পরে প্রতিনিয়ত কেদারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জনতার দ্বারে দ্বারে গিয়ে টেলিফোন মার্কায় ভোট প্রার্থনা করছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী।

সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে নির্বাচনের সময় ততটাই সামনে চলে আসতেছে। তাই প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে রাত্রি পর্যন্ত চলে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী ও তার নির্বাচনী প্রতিক টেলিফোন মার্কার জন্য ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী ও তার কর্মী সমর্থকরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে টেলিফোন মার্কা তথা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তীকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। সেই সাথে মিহির চক্রবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে জনগনের জন্য কি কাজ করবেন তার বার্তাও ভোটারদের নিকট তুলে ধরছেন মিহির চক্রবর্তী ও তার কর্মী সমর্থকরা।

কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী ও তার মার্কা টেলিফোন প্রতিকের সমর্থনে ইতিমধ্যে ইউনিয়নের সবগুলো ওয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে উঠান বৈঠক। উঠান বৈঠক গুলোতে দেখা গিয়েছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী ও টেলিফোন মার্কার সমর্থনে এলাকার মুরব্বি, যুব সমাজ, তরুন সমাজ, ছাত্র সমাজ সহ অগনিত মানুষের উপস্থিতি। মিহির চক্রবর্তী ও টেলিফোন প্রতিকের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সভাস্থল। এই অগনিত মানুষের উপস্থিতই প্রমান করে আসন্ন কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সমগ্র কেদারপুর ইউনিয়নে ছেয়ে গেছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানারে। সমগ্র কেদারপুর ইউনিয়নে চলমান রয়েছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী নির্বাচনী প্রচারনা। বিভিন্ন গানের ছন্দে সুর মিলিয়ে মাইকে প্রচারিত হচ্ছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী ও তার নির্বাচনী প্রতিক টেলিফোনের কথা। মাঝে মাঝে দেখা যাচ্ছে মিহির চক্রবর্তী ও টেলিফোন প্রতিকের স্লোগানে মুখরিত মিছিল।

কেদারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটারদের নিকট নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, মিহির চক্রবর্তী উপজেলা আওয়ামীলীগের বড় নেতা, তিনি স্থানীয় এমপির খুবই কাছের মানুষ তাই মিহির চক্রবর্তী চেয়ারম্যান হলে কেদারপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন হবে। তাছাড়াও মিহির চক্রবর্তী সব সময় হিন্দু মুসলিম ভেদাভেদ ভূলে কেদারপুর ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে পাশে থাকে। যে কোন ধর্মের কেউ মারা গেলে মিহির চক্রবর্তী সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয়। যে কোন ধর্মের কোন সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠানে মিহির চক্রবর্তী উপস্থিত থাকেন। মিহির চক্রবর্তী গ্রাম্য কোন সালিসি দরবারে ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেন। তাই কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মিহির চক্রবর্তীকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দরকার।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিহির চক্রবর্তী বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। সর্বদা নিজ এলাকা কেদারপুরে অবস্থান করে দীর্ঘদিন যাবত সাধারণ মানুষের সুখে দুঃখে তাদের পাশে থেকেছি। যখনি আমার ইউনিয়নের কেউ কোন সমস্যা সম্মুখীন হয় আমি সব সময় তাদের পাশে ইতিপূর্বেও সব সময় ছিলাম এবং আগামীতেও থাকবো। কেদারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মুরব্বি, যুবক ও তরুনদের সমর্থন ও আশির্বাদ/দোয়া নিয়ে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।

কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ মানুষের নিকট হতে আমি যে পরিমান সমর্থন, আশির্বাদ ও ভালোবাসা পেয়েছি তা আমার চলার পথের অনুপ্রেরণা। আমি নির্বাচনে জয়ী হলে কেদারপুর ইউনিয়নকে একটি মাদক মুক্ত সন্ত্রাস মুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবে। রাস্তা ঘাট, স্কুল-কলেজ, মন্দির-মসজিদ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করবো। সাধারন জনগন তাদের শতভাগ নাগরিক সুবিধা যাতে যথাযথ ভাবে পেতে পারে আমি সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবো। সরকার ঘোষিত যে সকল ভাতা গুলো রয়েছে তা যেন যথাযথ ভাবে সাধারণ জনগন পেতে পারে আমি সেই বিষয়টি গুরুত্বের সহিত দেখবো।

উল্লেখ, মিহির চক্রবর্তী শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলা কেদারপুর ইউনিয়নের মৃত নারায়ণ চক্রবর্তীর কনিষ্ঠ পুত্র। মিহির চক্রবর্তী ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে হৃদয়ে ধারন করে ছাত্রলীগ দিয়েই তার রাজনীতির শুরু। মিহির চক্রবর্তী রাজনৈতিক জীবনে কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, এরপর তিনি ছিলেন নড়িয়া উপজেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক, শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি, নড়িয়া উপজেলা যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, নড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক।

বর্তমানে মিহির চক্রবর্তী নড়িয়া নড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, শরীয়তপর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নড়িয়া উপজেলা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

উল্লেখ, আগামী ৫ই জানুয়ারি ২০২২ রোজ বুধবার নড়িয়া উপজেলা কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট ৭জন প্রার্থী রয়েছে।


error: Content is protected !!