নড়িয়ার মাজেদা হাসপাতালে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস সেবা প্রদান

শরীয়তপুর: বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে শরীয়তপুরের নাড়িয়া উপজেলার মাজেদা হাসপাতালে ডায়াবেটিস রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান ও সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মাজেদা হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. খলিলুর রহমান উপস্থিত থেকে এই সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করেন। পরে স্বাস্থ্য সচেতনাতামূলক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি বক্তব্য প্রদান করেন।


এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বি.এম.এ শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. শেখ মোস্তফা খোকন।

চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশী ডায়াবেটিস রোগী ও উপস্থিত জনসাধারনের উদ্দেশে সচেতনাতামূলক আলোচনা করেন মাজেদা হাসপাতালের এক্সেকিউটিভ অফিসার এবং সিনিয়র কনসাল্ট্যান্ট ডা. খালেদ শওকত আলী ও মেডিকেল ডিরেক্টর এবং সিনিয়র কনসাল্ট্যান্ট ডা. তানিয়া খালেদ আলী। সভায় মাজেদা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ও হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটিতে দুই শতাধিক ডায়াবেটিস রোগীকে বিনামূলে চিকিৎসা প্রদান করেন।

মাজেদা হাসপাতালের এক্সেকিউটিভ অফিসার এবং সিনিয়র কনসাল্ট্যান্ট ডা. খালেদ শওকত আলী জন সাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের চাইতে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করার প্রয়োজনীয়তা বেশী। আমাদের দেশে গর্ভকালীন ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস বিশ্বের অন্য যে কোন দেশের চাইতে বেশী। ডায়াবেসিট প্রতিরোধ করতে হলে আমাদে দেশীয় খাবারের প্রতি বেশী গুরুত্ব দিতে হবে। ফাস্ট ফুড ও ধুমপান পরিহার করতে হবে। দেশে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এদের মধ্যে প্রায় ৯০ লাখ ডায়াবেটিস রোগী নিবন্ধিত। বাকী ৯০ লাখ মানুষ জানেই না যে সে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। একজন ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিমাসে ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ব্যায় হয়। এমনি ভাবে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ প্রতি মাসে কতটাকা ডায়াবেটিসের জন্য ব্যয় করে? আমাদের সচেতনতাই পারে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে। সেই সাথে আমাদের কষ্টে উপার্জিত অর্থ রক্ষা করতে।