ভারতে করোনায় মৃত্যু ছাড়ালো ২০০০-এর গণ্ডি

আন্তর্জাতিক: ভারতে করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় লাফিয়ে বেড়েছে মৃত্যু। ছাড়িয়ে গেছে ২০০০-এর গণ্ডি। শনিবার (৯ মে) দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৭ জন।
দেশটিতে বর্তমানে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২১০৯ জনের। মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬২ হাজার ৯৩৯ জন। সেদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এই খবর মিলেছে। মোট আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ১৯ হাজার ৩৫৮ জন। অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ১৯ হাজার ৩৫৮ টি।
তবে ভারতীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, এখন পর্যন্ত চরম খারাপ অবস্থার মুখোমুখি হয়নি ভারত। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে যে চরম খারাপ অবস্থা দেখা গিয়েছে, তেমন পরিস্থিতি এখনো দেখেনি ভারত। তারপরও আমাদের সেই খারাপ অবস্থার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। তিনি বলেন, ভারতের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ ঠিক হয়েছে।
অন্যদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভারত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে জুলাইয়ের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছবে। জুলাইয়ের শেষে হবে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। এরপরই ভারত করোনা মুক্ত হবে বা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনা মোকাবিলা টিমের বিশেষ সদস্য ডা. ডেভিড ন্যাবারো।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, সারাদেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ সর্বাধিক। সেখানে মৃতের সংখ্যাও বেশি। এরপরেই এই তালিকায় রয়েছে গুজরাট। ৩ নম্বরে রয়েছে দিল্লি।
ভারতে এই মুহূর্তে চলছে তৃতীয় দফার লকডাউন। আগের দুই দফার মতো কড়াকড়ি থাকছে না লকডাউনের তৃতীয় দফায়। গ্রিন জোনে কিছু বাদে সব ধরণের পরিষেবাই চালু রয়েছে। বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিতে পারবে বাসগুলি। এছাড়া গ্রিন জোনে ই-কমার্স সংস্থাগুলি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়াও অন্যান্য দ্রব্য সরবরাহ করতে পারবে।
এছাড়া রেড জোনে চালু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, আইটি ও অনুসারী পরিষেবা, ডেটা ও কলসেন্টার, হিমঘর, ওয়্যারহাউজ। টেলিফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা। পানি, বিদ্যুৎ, পরিচ্ছন্নতা কর্মী পরিষেবা চালু থাকার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চালু থাকবে ক্যুরিয়র ও ডাক পরিষেবা। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা আগের মতোই চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।