সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, ১৪ রবিউস সানি, ১৪৪২
সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

আওয়ামী লীগের শক্তি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস

আওয়ামী লীগের শক্তি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস

ঢাকা : আমরা মানুষের পাশে আছি, মানুষের পাশে থাকবো উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন এই জনগণকে একটা উন্নত জীবন দিতে সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। মুজিববর্ষে সেটাই আমাদের বড় অঙ্গীকার।

শনিবার (৩ অক্টোবর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা এ সব কথা বলেন। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সীমিত পরিসরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংগঠনিক শক্তিটা হচ্ছে সবচেয়ে বড়। আওয়ামী লীগের যে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি আছে, এই করোনা মোকাবিলার সময় তারা যখন মাঠে নেমেছে তখনি সেটা প্রমাণিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আমাদের পার্টির কাজগুলো মোটামুটি কিছু কিছু জায়গায় সচল রয়েছে। ইলেকশনগুলো হয়েছে। সেখানে আমি মনে করি, আমাদের সাংগঠনিক কাযর্ক্রম খুব বেশি এখন যাতায়াত না করলেও কিছু সাংগঠনিক কাযক্রমগুলো আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের হয়ত সম্মেলন হয়েছে কিন্তু করোনার কারণে আমরা আর কমিটি করতে পারিনি বা কারো খোঁজও নিতে পারিনি যেতেও পারেনি, সেগুলোর আমার এখন মনে হয় একটা সময়। আস্তে আস্তে আমরা সেগুলোর কাজ করতে পারবো। আমাদের সেই কাজগুলো করে দিতে হবে। সাংগঠনিক শক্তিটা হচ্ছে সবচেয়ে বড়। আওয়ামী লীগের যে তৃণমূল পর‌্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি আছে, এই করোনা মোকাবিলার সময় তারা যখন মাঠে নেমেছে তখনি সেটা প্রমাণিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরো বলেন, আজকে যে কারণে আমাদের প্রায় ৫২২ জন নেতাকর্মীরা সব মৃত্যুবরণ করেছে। এই যে এতো বড় স্যাক্রিফাইস বোধহয় আর কোনো দল তো করেনি। তারা লিফ সার্ভিস দিয়েছে। ভালো মিডিয়া আছে। আর আমি তো প্রাইভেটে টেলিভিশন দিয়েছি রেডিও দিয়েছি অনেক পত্রিকা, যে যার মতো আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে বলেই যাচ্ছে কিন্তু তাদেরকে মাঠে মানুষের পাশে দেখা যায়নি। তারা কেউ আবার বিচার করে, আওয়ামী লীগ কতটুকু করলো, কতটুকু করলো না?

কিন্তু তারা আয়নাতে নিজের চেহারা দেখে না। এই দেশে গরিব মানুষের সেবা করার অনেক লোক অনেক রকমের প্রতিষ্ঠান, অনেক কার্যক্রম আমরা দেখি কিন্তু করোনাকালীন সময় তো তাদের কোনো কার্যক্রম আমরা দেখি নিই। তখন সবাই ঘরে, তখন মানুষের পাশে আর কেউ নাই। মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন, আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য সব থেকে কাজ করে। এই বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নতির জন্যই জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। সেই স্বাধীনতার সুফলটা যেন প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে পৌছায় আমরা যেন দারিদ্রমু্ক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারি, জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, প্রায় ৬ মাস পর বসলো দলের কার্যনির্বাহী। সর্বশেষ গত ৯ মার্চ গণভবনে বসে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা।