সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, ১৪ রবিউস সানি, ১৪৪২
সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

শরীয়তপুর পৌরবাসীর নাগরিক চাহিদা পূরনে আশাবদী এমএম জাহাঙ্গীর

শরীয়তপুর পৌরবাসীর নাগরিক চাহিদা পূরনে আশাবদী এমএম জাহাঙ্গীর

শরীয়তপুর: শরীয়তপুর পৌরবাসীর নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন ও মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএম জাহাঙ্গীর।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করবেন তিনি। সৃজনশীল রাজনৈতিক চর্চা, মাদক-সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ নির্মূল ও দুর্নীতিমুক্ত পৌর পরিষদ গঠন করাসহ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পৌরসভার সকল সেবা চালু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তাই তিনি শরীয়তপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে কাজ করে যাচ্ছেন।

এমএম জাহাঙ্গীর শরীয়তপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড ঐতিহ্যবাহী কাগদী গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা মরহুম হাতেম আলী মৃধা ছিলেন একজন সরকারী চাকুরিজীবী। এমএম জাহাঙ্গীর নিজ গ্রাম থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করে এলএল.বি ডিগ্রী লাভ করেছেন। তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় ছাত্রলীগের শরীয়তপুর সদর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত জাতীয় ছাত্রলীগের শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী যুবলীগ কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহন করেন। ২০০৫ সালে তিনি জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে শরীয়তপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। এর ফলে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য, শরীয়তপুর প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, শরীয়তপুর ফাজিল মাদ্রাসার দাতা সদস্য, পালং মধ্য বাজার জামে মসজিদ নির্মাণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও এসডিএস এর প্রতিষ্ঠাকালিন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর জন্য কি সেবা নিশ্চিত করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে জবাবে এম.এম. জাহাঙ্গীর বলেন, সফল রাষ্ট্র নায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৪১ সালে উন্নত দেশ ও উন্নত বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে ডেল্টাপ্লান বাস্তবায়নে নিজ অবস্থান থেকে কাজ করব। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধরে রাখতে পৌরসভায় একটি সংরক্ষণশালা ও জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ নির্মাণ, আমাদের এমপি মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে পর্যায়ক্রমে শিল্পকলা একাডেমীর ভবন নির্মাণ ও সময়োপযোগী সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালু করতে চেষ্টা করব।

শরীয়তপুর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখা ব্যক্তিদের কৃতকাজ সংরক্ষণ করব। পৌরবাসীর মৌলিক চাহিদা ও নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকব। পৌরবাসীর জন্য একটা আধুনিক কবর স্থান ও শ্মশান তৈরীর ব্যবস্থা নিব। পৌর এলাকায় বৃষ্টি-বর্ষা ও বন্যায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পরিকল্পনা করে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে স্থায়ী সমাধান করব। জীবন দিয়ে হলেও পৌর এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করব। অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজ গঠনে সচেষ্ট থাকব। পৌরসভায় যে সকল অব্যবস্থাপনা রয়েছে তাও সমাধান করে পৌরবাসীকে আধুনিক পৌরসভার সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করব।

পৌরসভা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সরদার ও দপ্তর সম্পাদক মো. আওলাদ হোসেন বলেন, এম.এম. জাহাঙ্গীর একজন সৃজনশীল রাজনৈতিক ব্যক্তি। সে ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। এক কথায় তিনি একজন আদর্শ নেতা। আমরা মনে করি তার হাতে শরীয়তপুর পৌরসভা নিরাপদ থাকবে। তিনি পৌরবাসীর চাহিদা পূরণ ও পৌরসভার উন্নয়ন করতে সক্ষম হবেন। সে যেন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পায় সেই জন্য নীতিনির্ধারকদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। শরীয়তপুর পৌরসভার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানাগেছে, এমএম জাহাঙ্গীর সর্বদা মানুষের পাশে থাকে। সেই প্রত্যাশা থেকে শরীয়তপুর পৌরবাসী তাদের জন্য একজন সৎ, যোগ্য, উদ্যোমী ও সৃজনশীল নেতৃত্বের অভাব পূরণের জন্য এমএম জাহাঙ্গীরের কথা ভাবছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সংগঠন আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দিলে তিনি আমাদের প্রত্যাশা পূরণে সমর্থ হবে।