সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, ১৪ রবিউস সানি, ১৪৪২
সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

গোসাইরহাটে লাগামহীন সবজির বাজার, কষ্টে আছে নিম্ন আয়ের মানুষ

গোসাইরহাটে লাগামহীন সবজির বাজার, কষ্টে আছে নিম্ন আয়ের মানুষ

গোসাইরহাট: শরীয়তপুর গোসাইরহাটে শীতের আগাম সবজি বাজারে আসলেও লাগামহীন সবজির বাজার। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষ। ৬০-৭০ টাকা কেজি দরের নিচে মিলছে না কোনো সবজি।

উপজেলার গোসাইরহাট বাজার থেকে গ্রাম পর্যায়ের সব হাট বাজারগুলোতে এমনই চিত্র দেখা গেছে। সরকারের বেঁধে দেয়া আলুর দাম ৩৫ টাকার জায়গায় ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে অসৎ ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়াও অন্যান্য সবজির দাম লাগামহীন।

সোমবার গোসাইরহাট বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, বেগুন ৬০টাকা, পটল, মুলা, মিষ্টি কুমড়া,লাল শাক ৫০-৫৫ টাকা কেজি, করলা ৬৫ টাকা, কপি ৭০ টাকা কেজি এবং প্রতি পিস লাউবিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।

গোসাইরহাট বাজারের সবজি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, পরপর বন্যার কারনে সবজির আমদানি কম, কৃষকদের সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবজির দাম বেশি।

সবজি ব্যাবসায়ী অালমগীর বলেন, এবার আমাদের এলাকায় দফায় দফায় বন্যা আর অতি বৃষ্টিপাতে চরাঞ্চলের সব ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল, তাই সবজির আবাদ কম হওয়ায় বাজারে সবজির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সামনে কয়েকদিন পরে শীতের সবজি নামলে দাম কমে আসবে।

এদিকে এখনো ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ, কমেনি পেঁয়াজের ঝাঁঝ, এখনো ৮৫ টাকা দরেই বিক্রি হচ্ছে।

হাটে সবজি কিনতে আসা দেওয়ান মফিজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. ইমরান সিকদার বলেন, এমনিতেই করনাকালীন সময়ে অনেক কষ্টে আছি। তারপর মরার উপর খারার ঘা। বাজারে সকল সবজির দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষদের এতো দাম দিয়ে সবজি খাওয়া সম্ভব নয়। প্রশাসনের নজরদারি বাড়ালে হয়তো একটু দাম সহনীয় মাত্রায় আসতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. অালমগীর হুসাইন বলেন, আমরা নিয়োমিত বাজার মনিটরিং করছি।