বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, ১৬ রবিউস সানি, ১৪৪২
বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে “ই-পাসপোর্ট” কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে "ই-পাসপোর্ট" কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সময়

শরীয়তপুর: “নির্বাচনী অঙ্গীকারে ডিজিটাল হলো দেশ, মুজিববর্ষে ই-পাসপোর্ট ধন্য বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে “ই-পাসপোর্ট” কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক শেখ মাহাবুর রহমানের সভাপতিত্বে সারাদেশের ১২টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উদ্বোধনের ন্যায় মঙ্গলবার ১০ নভেম্বর সকাল ১১টার দিকে জুম প্লাটফর্ম-এর মাধ্যমে শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে “ই-পাসপোর্ট” কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব চৌধুরী।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক শেখ মাহাবুর রহমান বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশকে অত্যাধুনিক এবং সমৃদ্ধির বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত প্রকল্পের মধ্যে ই- পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প অন্যতম। সুযোগ্য মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব চৌধুরী মহোদয়ের সুদক্ষ নেতৃত্বে এবং প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের নিরন্তর প্রচেষ্টায় উক্ত প্রকল্পের আওতায় মহাপরিচালক মহোদয় অদ্য আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, শরীয়তপুরে ই- পাসপোর্ট কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। ই- পাসপোর্টের সফল বাস্তবায়নে শরীয়তপুরবাসীর সকল রেমিটেন্স যোদ্ধাসহ সকল প্রবাসী হয়রানীমুক্তভাবে অবাধে গমনাগমনের সুযোগসহ সকল প্রকার সুফল ভোগ করবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, শরীয়তপুর এবং শরীয়তপুর বাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় মহাপরিচালক মহোদয়, প্রকল্প পরিচালক মহোদয়, অতিরিক্ত মহাপরিচালক মহোদয়বৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতাসহ প্রকল্পে নিয়োজিত বাংলাদেশ স্বশস্ত্র বাহিনী ও অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে এবং “নির্বাচনী অঙ্গীকারে ডিজিটাল হলো দেশ মুজিব বর্ষে ই- পাসপোর্ট ধন্য বাংলাদেশ।” স্লোগানের মাধ্যমে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি এমআরপি পাসপোর্ট যুগোপৎভাবে চলু থাকবে। প্রথমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকায় তিনটি ই পার্সপোর্ট চালু করা হয়েছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সমূহে ই -পার্সপোর্ট চালু করা হয়।

ই-পাসপোর্টের জন্য বাংলাদেশে আবেদনকারীদের ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী নিয়মিত ই- পাসপোর্টের জন্য ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা, জরুরি ৬হাজার ৩শ’ ২৫টাকা এবং অতিব জরুরি ৮’হাজার ৬শ’ ২৫টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ই পাসপোর্টের জন্য ৫ হাজার ৭’শ ৫০টাকা, জরুরি ৮ হাজার ৫০টাকা এবং অতিব জরুরি ১০ হাজার ৩’শ ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ফি ৬হাজার ৩শ’ ২৫টাকা, জরুরি ৮ হাজার ৬শ’ ২৫ টাকাএবং অতিব জরুরি ১২ হাজার ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ৮ হাজার ৫০ টাকা, জরুরি ১০’ হাজার ৩’শ ৫০ টাকা এবং অতিব জরুরি ১৩ হাজার ৮’শ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, বিদেশী মুদ্রা অনুযায়ী বিদেশে অবস্থানরত ৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ১০০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ১৫০ মার্কিন ডলার ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ১২৫ মার্কিন ডলার এবং জরুরি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে শ্রমিক ও ছাত্রদের জন্য বিদেশে অবস্থানরত ৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ৩০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ৪৫ মার্কিন ডলার ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ৫০ মার্কিন ডলার এবং জরুরি ৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ১৫০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ২০০ ইউএসডি ১০ বছরমেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ১৭৫ ইউএসডি এবং জরুরি ২২৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া শ্রমিক ও ছাত্রদের জন্য বিদেশে অবস্থানরত ৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পৃষ্ঠার সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ১৫০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ২০০ মার্কিন ডলার ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ১৭৫ মাকির্ন ডলার এবং জরুরি ২২৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।