সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১১ মাঘ, ১৪২৭, ১১ জমাদিউস সানি, ১৪৪২
সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২১

আ.লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী, সুবিধা নিতে চায় বিএনপি

আ.লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী, সুবিধা নিতে চায় বিএনপি

শরীয়তপুর: আগামী ৩০শে জানুয়ারী তৃতীয়ধাপে ভেদরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ঘিরে বইছে নির্বাচনী আমেজ। তফসিল ঘোষনার পর প্রার্থীরা পুরোদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এই নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী থাকায় বিপাকে পড়েছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে একক প্রার্থীর সুবিধা নিয়ে জয়ী হতে চায় বিএনপি।
এই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী রয়েছেন ৬ জন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত হাজী আব্দুল মান্নান হাওলাদার, বিএনপির বিএম মোস্তাফিজুর রহমান, আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের দ্বিতীয় স্ত্রী চিনু বেগম, আবুল বাশার চৌকদার, নিয়ামত সিকদার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ৩০ শে জানুয়ারী ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় তৃতীয় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে । ১৪ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, ৩০শে জানুয়ারী ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৩১ শে ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিলো, মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকে শুরু হয়েছে প্রচার প্রচারণা।

নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী সমানতালে দোয়া ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তারা সবাই  শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন।
আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী জানান, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন কমপক্ষে ৫ জন। তাঁদের মধ্য থেকে দলীয় মনোনয়ন পান বর্তমান মেয়র উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুল মান্নান হাওলাদার। দলীয়মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মান্নান বেপারী দ্বিতীয় স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক চিনু বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগের  কোষাধক্ষ্য সম্পাদক আবুল বাশার চৌকদার, উপজেলা আওয়ামীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নেয়ামত সিকদার।
পৌরসভা মেয়র পদে গতবারও আবুল বাশার চৌকদার আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়ে ছিলেন, পরে তিনি নির্বাচন থেকে সরে গেছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অনল কুমার দে জানান, দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তাদের বিরুদ্ধে  দলীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’র পক্ষে কাজ না করার জন্য বলা হয়েছে। যারা বিদ্রোহীদের পক্ষ নিয়ে কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।