বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ৯ বৈশাখ, ১৪২৮, ৯ রমজান, ১৪৪২
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

পুলিশকে বাদ দেয়ার প্রস্তাব ‘শৃংখলা বাহিনীর’ সংজ্ঞা হতে

পুলিশকে বাদ দেয়ার প্রস্তাব ‘শৃংখলা বাহিনীর’ সংজ্ঞা হতে

ঢাকা: জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ এর সংশোধনীতে পুলিশকে ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’র সংজ্ঞা হতে বাদ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে আসা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও অনুসন্ধান করতে পারবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এক মতবিনিময় সভায় এ প্রস্তাব করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ এর বিভিন্ন বিধান সংশোধনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘শৃংখলা বাহিনী’ এর সংজ্ঞা হতে পুলিশ বাহিনীকে বাদ দেয়া, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য একজনের পরিবর্তে ৩ জন করা, কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের মেয়াদ তিন বছরের পরিবর্তে ৫ বছর করা, কমিশনের অবৈতনিক সদস্যগণ আর্থিক সুবিধা ব্যতিত হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের মর্যাদা প্রদান করা, কমিশন কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষমতা, কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বেতন, ভাতা, চাকরির সুবিধাদি সরকারি কর্মচারীদের অনুরূপ করা, কমিশনের ‘সচিব’ পদনামের পরিবর্তে ‘মহাপরিচালক’ পদ নামকরণ এবং কমিশনের তহবিল সংক্রান্ত বিধান বাতিল করা।

সভায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালীকরণের উদ্দেশ্য আনীত প্রস্তাবসমূহ সময়োপযোগী। তবে, কতিপয় প্রস্তাব, বিশেষ করে- ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’র সংজ্ঞা হতে পুলিশ বাহিনীকে বাদ দেওয়া, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ১ জনের পরিবর্তে ৩ জন করার প্রস্তাব; চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মেয়াদ ৩ বছরের পরিবর্তে ৫ বছর করার প্রস্তাব; অবৈতনিক সদস্যদের আর্থিক সুবিধা ব্যতীত হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের মর্যাদা প্রদানের প্রস্তাব; কমিশন কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাবের সঙ্গে সরকারের নীতি নির্ধারণী বিষয় জড়িত।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক ও অবৈতনিক সদস্যগণ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


error: Content is protected !!