বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ৯ বৈশাখ, ১৪২৮, ৯ রমজান, ১৪৪২
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

সিরিজের শুরুতে বাংলাদেশের বড় হার

সিরিজের শুরুতে বাংলাদেশের বড় হার

ঢাকা:সালটা ২০০৭; কুইন্সল্যান্ড ওভালে এমনই একটা দিন দেখেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট। টস হেরে ব্যাট করে মাত্র ৯৩ রানে অলআউট হয়েছিল টাইগাররা। জবাবে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ‘নির্দয়’ তাণ্ডবে ঠিক ছয় ওভারেই জয় তুলে নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। মোহাম্মদ আশরাফুল-আফতাব আহমেদের জনপ্রিয়তা তখন তুঙ্গে। সাকিব-তামিম-মুশফিকরা সবে শুরু করেছেন। ওই দলের সঙ্গে এই বাংলাদেশের পার্থক্যটা তাই অনেক।ম্যাচের দৃশ্যপট, হারের ব্যবধান, রান, উইকেট সবই আলাদা।

কিন্তু ওভালে হারের ধরনটা আগের মতোই। টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে ১৩১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। কিউইরা জিতেছে৮ উইকেটে। তাও আবার ২৮.৪ ওভার হাতে রেখে। ঝড় তোলা গাপটিল আউট না হলে হারটা হতো আরও লজ্জার।

শনিবার (বাংলাদেশ সময় ভোরে) ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে প্রথম ওয়ানডের উইকেট ব্যাটিং সহায়কই ছিল। তারপরও ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানরা গা ছাড়া ভাবের কারণে সুবিধা করতে পারেননি। ট্রেন্ট বোল্ট-জেমস নিশামের তোপে তাই ধসে যায় দ্রুতই।

জবাব দিতে নেমে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করে নিউজিল্যান্ড। ওপেনার গাপটিল পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচটাকে টি-২০ ফরম্যাট বানিয়ে ফেলেন। তাসকিন আহমেদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে চার ছক্কা ও তিন চারে ১৯ বলে ৩৮ রান করেন তিনি।

তবে তার আউট কোন ধাক্কাই দিতে পারেনি ব্ল্যাক ক্যাপসদের শিবিরে। ওপেনার হেনরি নিকোলাস ও অভিষিক্ত ডেভন কনওয়ে সহজেই জয়ের পথে তুলে নেন দলকে। হাসান মাহমুদের বলে ফিরে যাওয়ার আগে কনওয়ে করেন ২৭ রান। তবে নিকোলাস হার না মানা ৪৯ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন।

এর আগে বাংলাদেশের হয়ে মাহমুদুল্লাহ সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন। অধিনায়ক তামিম ইকবাল ১৩ রান করে আউট হন। সৌম্য সরকার তিনে নেমে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। লিটন দাস করেন ১৯ রান। মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ২৭ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। এছাড়া জেমস নিশাম ও মিশেল সাটনার ‍দুটি করে উইকেট নেন।


error: Content is protected !!