মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬ আশ্বিন, ১৪২৮, ১৩ সফর, ১৪৪৩
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

গোপালগঞ্জে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহা সচিব রুহুল কবীর রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

ফাইল ছবি

গোপালগঞ্জ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেয়ায় গোপালগঞ্জে দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতাররী পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: শরীফুল রহমান এ গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন।

মামলার বিবরনে জানাগেছে, গত ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, জামালপুরের নুরু রাজাকারের গাড়ীতে জাতীয় পতাকা তুলে দেযার পাশাপাশি আওয়ামীলীগে স্বাধীনতা বিরোধীরা রয়েছে। এছাড়া মামলার বাদী সরকারী কৌঁসুলি এ্যাভোকেট দোলেয়ার হোসেন সরদার ও তার পিতা হাসেম সরদারসহ ২৩ জনকে রাজাকার বলে উল্লেখ করেন রিজভী।

পরে সংবাদ সম্মেলনের সংবাদটি ২৩ ডিসেম্বর দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন ও ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত একই পত্রিকায় ছাপা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাদী দেলোয়ার হোসেন সরদার এবং তার পিতার মানহানি হওয়ায় ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারী গোপালগঞ্জ আদালতে ১০০ কোটি টাকার মান হানির একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর এ মামলাটি সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুব্রুরী রুহুল কবির রিজভীকে আসামী করে এবং দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক সালমা ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমকে অব্যহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর ০২ সেপ্টেম্বর রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

কিন্তু রুহুল কবীর রিজভী মামলার ধায্য তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় আজ মঙ্গলবার বিকালে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন বিচারক।

মামলার বাদী ও সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদার জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তার নিজের এবং তার পিতার সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। এ কারনে তিনি তাদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন।


error: Content is protected !!